সেপ্টেম্বরেও বন্ধ থাকবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল। বিশেষ অনুমোদন প্রাপ্ত বিমানগুলি ছাড়া আর কোনও বিমান ভারত থেকে বিদেশে পাড়ি দেবে না বা অন্য দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। রবিবার প্রকাশিত একটি নির্দেশিকায় জানাল ভারতের অসামরিক বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ।
দেশে অতিমারি পরিস্থিতির শুরুর দিকে ভিসা এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ টেনে একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল ডিজিসিএ। গত বছর ২৬ জুন জারি করা সেই নিয়মেই সামান্য হেরফের ঘটিয়ে তার মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে এই নির্দেশে আগের মতোই মালবাহী বিমানের যাতায়াতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জরুরি পরিস্থিতিতে বেশ কিছু রুটে যে সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমানকে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, সেগুলির ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। ছাড় থাকবে ডিজিসিএ-র বিশেষ অনুমোদন পাওয়া উড়ানগুলির ক্ষেত্রেও।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন