সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাড়িতে রক্তচাপ মাপেন কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে জেনে নিন !

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে সময় মতো তা পরীক্ষা করাও জরুরি। সব সময় বাইরে গিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। অনেকেই তাই অসুবিধে এড়াতে এখন বাড়িতেই রক্তচাপের পরীক্ষা করেন। কিন্তু রক্তচাপ মাপার ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়, যেগুলির সম্পর্কে স্বচ্ছ্ব ধারণা না থাকায় বেশ কিছু ভুল হয়ে যায়। কোন ভঙ্গিতে বসা উচিত? একটি টেবিল সংলগ্ন চেয়ারে বসুন। চেয়ারের পিছনে হেলান দিন। হাত দুটো এমন ভাবে টেবিলের উপর রাখুন, যাতে হৃদযন্ত্রের সমতলে হাত দুটো থাকে। এবার রক্তচাপ মাপার কাফটি কনুই থেকে ২.৫ সেন্টিমিটার উপরে বাঁধুন। খুব আলগা বা খুব শক্ত কোনওটাই করবেন না। এবার কনুইয়ের উপর হাত দিয়ে ব্রাকিয়াল ধমনীর অবস্থান নির্ণয় করে স্টেথোস্কোপের ডায়াফ্রাম বসান। ডায়াফ্রাম কাপড়ের উপর রাখবেন না। খেয়াল রাখুন মিটারের স্কেলটি যেন হৃদযন্ত্রের সমতলে থাকে। ১) রক্তচাপ মাপছেন যে যন্ত্র তার কাফ সাইজটি আপনার উপযুক্ত কি না দেখা দরকার। কেনার সময় এটি খেয়াল রাখুন। ২) নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে শুরু করার আগে যন্ত্রটি ঠিক পরিমাপ দেখাচ্ছে কি না বুঝতে একজন চিকিৎসকের সাহায্য নিন। ৩) দিনে দু’বার রক্তচাপ মাপুন। প্রথমবার সকালে উঠে রক্তচাপের ওষুধ খাওয়ার আগে। পরের বারটি সন্ধেবেলা। প্রতিদিনই এই নিয়ম মেনে চলুন। ৪) রক্তচাপ পরীক্ষা করার অন্তত আধঘণ্টা আগে থেকে খাবার, ধূমপান, অ্যালকোহল বা চা-কফি এড়িয়ে চলুন।
৫) রক্তচাপ মাপার সময় শান্ত হয়ে বসুন। বিশেষ করে রক্তচাপ মাপতে শুরু করার আগে মিনিটপাঁচেক চেয়ারে এমনি বসে নিন। তারপর রক্তচাপ মাপুন। ৬) জামা বা কাপড়ের উপর কাফটি রাখবেন না। ত্বকের উপর রাখুন। ৭) ৩ মিনিট না হলে একই হাতে আবারও রক্তচাপ মাপবেন না।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

পুজোর দিন উপোস করেন, দিনের শেষে যে তিনটি খাবার খেতে পারবেন জেনে নিন!

অনেকেই পুজো দেওয়ার জন্য উপোস করেন। কিন্তু উপোস ভাঙার পরে অনেকেরই শরীর খারাপ হয়। কারণ এর পরে লুচি, মণ্ডা-মিঠাই বা পোলাও খেয়ে ফেলেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে গেলে এই ভুল করবেন না। বরং উপোস ভাঙার পর এমন কিছু খাবার খান, যা আপনার শরীরকে পুষ্টি দেবে। উপোস ভাঙার পরে কী খেতে পারেন? রইল তালিকা। কলা ও আখরোটের স্মুদি সহজেই বানাতে পারেন এই স্মুদি। অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকার পরে এই স্মুদি পেটও ভরাবে। উপকরণও রয়েছে ঘরের মধ্যেই। কলা, দই, আখরোট ও মধু। কলা, দই ও আখরোট একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে একটি গ্লাসে ঢেলে এর সঙ্গে ২ চা চামচ মধু মেশান। উপরে আখরোট কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন নিন। ওটস ক্ষীর এখন অনেকেই ওটস খান। বাড়িতে সহজেই এই উপকরণটি পাওয়া যাবে। উপোস ভাঙার পর খেতে পারেন ওটস ক্ষীর। লাগবে ঘি, ওটস, দুধ এবং শুকনো ফল। প্রথমে প্যানে ঘি গরম করুন। তার পরে ওটস দিয়ে হাল্কা করে নাড়ুন। এতে দুধ মেশান। ওটস নরম না হওয়া পর্যন্ত আঁচ কমিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। তার পরে উপরে শুকনো ফল ছড়িয়ে একটু ঘন হতে দিন। গরম গরম খান, তবে গরম খেতে ইচ্ছে না হলে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন। রোস্টেড মাখন উপোস ভাঙার পর কম ক্যালোরিযুক...

দই খাচ্ছেন , জেনে নিন কত টা উপকারী আর কতটা ক্ষতিকর!

আম-দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমের গন্ধযুক্ত দই সারা বছরই কিনতে পাওয়া যায়। এই সব দইয়ে অবশ্য আসল আম থাকে না। মেশানো হয় আমের সুবাস। এই আম-দই যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, দইয়ের সঙ্গে আসল আম মিশিয়ে খেলে সমস্যা হতে পারে। আপাত ভাবে কিছু টের না পাওয়া গেলেও, দীর্ঘ দিন দই এবং আম একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে ঘা হতে পারে। তবে শুধু আমই নয়, এমন বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে, যা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কী কী খাবার, রইল তালিকা। • মাছ এবং দই একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। কিছু কিছু খাবার হজম করতে দই সাহায্য করে। কিন্তু সেই তালিকায় মাছ নেই। বরং মাছ খাওয়ার পরে দই খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। • অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেয়েছেন? তার পরেও দই খাওয়া উচিত নয়। পেটের গণ্ডগোল হতে পারে। • পেঁয়াজ খাওয়ার পরে দই একেবারেই নয়। পেঁয়াজ শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আর দই কমায়। দু’টি খাবার এক সঙ্গে গেলে শরীর খারাপ হতে পারে। • শুনতে অদ্ভুত লাগলেও দই এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। তা হলেও হজমের সমস্যা হতে পারে।