সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কর্মসংস্থান : কর্মী নিয়োগ করছে শিলিগুড়ি পুরনিগম, ৬ সেপ্টেম্বর আবেদনের শেষ তারিখ । জেনে নিন আপনার!

শিলিগুড়ি পুরনিগমে সব মিলিয়ে ১০টি পদে নিয়োগ করবে পুর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ওএসডি লিগাল, ম্যানেজার, ছাড়াও একাধিক পদে নিয়োগ হবে।উপযুক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে অবিলম্বে আবেদন করতে হবে চাকরিপ্রার্থীদের। শিলিগুড়ি: কর্মী নিয়োগ শুরু হয়েছে শিলিগুড়ি পুরনিগমে Siliguri Municipal Corporation (SMC)। নিজের বায়োডাটা লিখে জমা দিতে হবে কর্তৃপক্ষের কাছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন ইচ্ছুক চাকরিপ্রার্থীরা । শিলিগুড়ি পুরনিগমে সব মিলিয়ে ১০টি পদে নিয়োগ করবে পুর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ওএসডি লিগাল, ম্যানেজার, কুক, সার্ভেয়ার, সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল), আইটি পার্সোনেল পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পুর নিগম। উপযুক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে অবিলম্বে আবেদন করতে হবে চাকরিপ্রার্থীদের। ওএসডি লিগাল-১ শিক্ষাগত যোগ্যতা-এই পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে কমপক্ষে LLB ডিগ্রি ছাড়াও ১০ বছরের আইনের ক্ষেত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স সীমা- এই ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়সের ঊর্ধ্বসীমা রাখা হয়েছে ৩৭ বছর। ম্যানেজার-১ শিক্ষাগত যোগ্যতা- MBA/Hotel Management-এ ২ বছরের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে চাকরিপ্রার্থীর। বয়স সীমা- বয়স হতে হবে ২৩-৩৫ বছরের মধ্যে। কুক-১ শিক্ষাগত যোগ্যতা- এই পদে আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে কমপক্ষে অষ্ঠম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে। রান্নার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স সীমা- চাকরিপ্রার্থীর বয়স ন্যূনতম বয়স ২০ বছর হওয়া বাধ্যতামূলক। সার্ভেয়ার-২ শিক্ষাগত যোগ্যতা- এই পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে কমপক্ষে মাধ্যমিক পাশ ছাড়াও ৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে।বয়স সীমা- এই ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে। সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)-১ শিক্ষাগত যোগ্যতা- আবেদনকারীদের এই পদে চাকরির জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে। প্রার্থীর অভিজ্ঞতাকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বয়স সীমা- এই ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীর বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৪৫ বছর রাখা হয়েছে। আইটি পার্সোনেল-১ শিক্ষাগত যোগ্যতা-BCA/ BSC/ IT পাশ হতে হবে আবেদনকারীকে। অভিজ্ঞতাকে হবে আবেদনকারীকে। অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেবে পুর নিগম কর্তৃপক্ষ। বয়স সীমা- এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স রাখা হয়েছে ২১বছর। কীভাবে হবে প্রার্থী বাছাই ?(Candidates’ Selection) আবেদনের বিষয়ে বিশদে জানতে চাকরিপ্রার্থীদের http://siligurismc.in-এ যোগাযোগ করতে হবে। ইন্টারভিউয়ের তারিখ ও স্থান তাদের এই শিলিগুড়ি পুর নিগমের অফিশিয়াল সাইটেই জানিয়ে দেওয়া হবে।সবার ক্ষেত্রেই ৬ মাসের চুক্তির ভিত্তিতে হবে এই চাকরি। পরবর্তীকালে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বাড়তে পারে চাকরির মেয়াদ। Last Date and Address: আবেদনপত্র To, The Commissioner, Siliguri Municipal Corporation, Baghajatin Road, P.O. Siliguri, Dist-Darjeeling, Pin-734001, on or before 06/09/2021-এ পাঠাতে হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

পুজোর দিন উপোস করেন, দিনের শেষে যে তিনটি খাবার খেতে পারবেন জেনে নিন!

অনেকেই পুজো দেওয়ার জন্য উপোস করেন। কিন্তু উপোস ভাঙার পরে অনেকেরই শরীর খারাপ হয়। কারণ এর পরে লুচি, মণ্ডা-মিঠাই বা পোলাও খেয়ে ফেলেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে গেলে এই ভুল করবেন না। বরং উপোস ভাঙার পর এমন কিছু খাবার খান, যা আপনার শরীরকে পুষ্টি দেবে। উপোস ভাঙার পরে কী খেতে পারেন? রইল তালিকা। কলা ও আখরোটের স্মুদি সহজেই বানাতে পারেন এই স্মুদি। অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকার পরে এই স্মুদি পেটও ভরাবে। উপকরণও রয়েছে ঘরের মধ্যেই। কলা, দই, আখরোট ও মধু। কলা, দই ও আখরোট একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে একটি গ্লাসে ঢেলে এর সঙ্গে ২ চা চামচ মধু মেশান। উপরে আখরোট কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন নিন। ওটস ক্ষীর এখন অনেকেই ওটস খান। বাড়িতে সহজেই এই উপকরণটি পাওয়া যাবে। উপোস ভাঙার পর খেতে পারেন ওটস ক্ষীর। লাগবে ঘি, ওটস, দুধ এবং শুকনো ফল। প্রথমে প্যানে ঘি গরম করুন। তার পরে ওটস দিয়ে হাল্কা করে নাড়ুন। এতে দুধ মেশান। ওটস নরম না হওয়া পর্যন্ত আঁচ কমিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। তার পরে উপরে শুকনো ফল ছড়িয়ে একটু ঘন হতে দিন। গরম গরম খান, তবে গরম খেতে ইচ্ছে না হলে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন। রোস্টেড মাখন উপোস ভাঙার পর কম ক্যালোরিযুক...

দই খাচ্ছেন , জেনে নিন কত টা উপকারী আর কতটা ক্ষতিকর!

আম-দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমের গন্ধযুক্ত দই সারা বছরই কিনতে পাওয়া যায়। এই সব দইয়ে অবশ্য আসল আম থাকে না। মেশানো হয় আমের সুবাস। এই আম-দই যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, দইয়ের সঙ্গে আসল আম মিশিয়ে খেলে সমস্যা হতে পারে। আপাত ভাবে কিছু টের না পাওয়া গেলেও, দীর্ঘ দিন দই এবং আম একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে ঘা হতে পারে। তবে শুধু আমই নয়, এমন বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে, যা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কী কী খাবার, রইল তালিকা। • মাছ এবং দই একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। কিছু কিছু খাবার হজম করতে দই সাহায্য করে। কিন্তু সেই তালিকায় মাছ নেই। বরং মাছ খাওয়ার পরে দই খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। • অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেয়েছেন? তার পরেও দই খাওয়া উচিত নয়। পেটের গণ্ডগোল হতে পারে। • পেঁয়াজ খাওয়ার পরে দই একেবারেই নয়। পেঁয়াজ শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আর দই কমায়। দু’টি খাবার এক সঙ্গে গেলে শরীর খারাপ হতে পারে। • শুনতে অদ্ভুত লাগলেও দই এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। তা হলেও হজমের সমস্যা হতে পারে।