অতিমারি সময়ে বিশেষ ভাতা দেওয়া এবং তিন মাসের মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের যাবতীয় প্রাপ্য সুবিধা চালু করা-সহ দাবি-দাওয়া নিয়ে পথে নামল নির্মাণ শ্রমিকদের সংগঠন। নব মহাকরণের সামনে শুক্রবার বিক্ষোভ-সভা করল এআইসিসিটিইউ-এর অন্তর্ভুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গৃহ ও অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন। দাবিপত্র দেওয়া হল শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্নার কাছে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন এআইসিসিটিইউ-এর রাজ্য সভাপতি অতনু চক্রবর্তী, নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা কিশোর সরকার প্রমুখ। দাবিগুলির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শ্রমমন্ত্রী।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন