সংস্কারের পর জালিয়ানওয়ালা বাগ স্মারক চত্বরকে নবরূপে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নতুন করে তৈরি হয়েছে এখানকার শহিদ কুয়ো। নতুন চেহারা পেয়েছে জাদুঘরটিও। সংযোজিত হয়েছে চারটি নতুন গ্যালারি। শনিবার সন্ধেয় ভার্চুয়াল মাধ্যমে হওয়া উৎসর্গ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯১৯-এর ১৩ এপ্রিলের সেই ভয়াবহ ১০ মিনিটের স্মৃতি ভোলার নয়। ওই ঘটনার জন্যই দেশ আজ স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব উদ্যাপন করতে পারছে। অহিংস জমায়েতের উপরে ব্রিটিশের নির্বিচার গুলিতে সে দিন এক হাজারেরও বেশি মানুষ
মারা গিয়েছিলেন।
মোদীর কথায় “এই জালিয়ানওয়ালা বাগই সর্দার উধম সিংহ, সর্দার ভগৎ সিংহের মতো অগণিত বিপ্লবীকে দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মবলিদানে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দেশের ইতিহাসের ভয়াবহ অংশগুলি ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সে কারণেই প্রতি বছর ১৪ অগস্ট দিনটিকে দেশভাগের আতঙ্ককে স্মরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশ।”
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন