সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্নাতক আসনের তুলনায় বহু গুণ বেশি আবেদন । কলেজগুলোর কী যোগ্যতা লাগছে জেনে নিন!

রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে চলতি বছর স্নাতক স্তরে ভর্তির জন্য আবেদনের সংখ্যা প্রচুর। শুক্রবার ছিল ওই ভর্তির আবেদনের শেষ দিন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, এ বার উচ্চ মাধ্যমিক-সহ অন্যান্য বোর্ডের পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক পড়ুয়া পাশ করেছেন। এর সঙ্গে ভর্তির আবেদন এখন বিনামূল্যে করা যায়। পাশাপাশি, উচ্চ মাধ্যমিকে সংশোধিত ফল প্রকাশের কারণে একাধিক বার একই বিষয়ে আবেদন করেছেন, এমনও বহু পড়ুয়া আছেন। চলতি বছরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। এখানে স্নাতক স্তরে বিজ্ঞান শাখায় আসন সংখ্যা ৩৩৪। অথচ সেখানে আবেদন জমা পড়েছে ৩২,৬০১টি। পদার্থবিদ্যায় ৮১টি আসনে আবেদনকারীর সংখ্যা আবার ৯,৪০৫। রসায়নে ৭২টি আসনে আবেদনকারীর সংখ্যা ৮,৭১৫। গণিতে ১১০টি আসনের জন্য আবেদন করেছেন ৭,৮৫৫ জন। কলা বিভাগে সব মিলিয়ে আসন সংখ্যা ৬৪২। আবেদন জমা পড়েছে ২১,৫৫৩টি! সব চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইংরেজি এবং ইতিহাসে। এই তিন বিষয়েই আসন সংখ্যা ৭২টি করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে আবেদনের সংখ্যা ৪৪৪৭, ইংরেজির ক্ষেত্রে ৪১২২ এবং ইতিহাসে ৩৮৩৪। যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস শনিবার বলেন, ‘‘যাদবপুরে পড়ার আগ্রহ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বরাবরই বেশি। এ বার প্রচুর পড়ুয়া পাশ করেছেন। এর সঙ্গে যে হেতু বিনামূল্যে আবেদন করা যায়, তাই অনেকেই আবেদন করেছেন।’’ প্রথমে আবেদনের শেষ দিন ছিল ২০ অগস্ট। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, ওই দিন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজারের মতো আবেদন জমা পড়েছিল। গত বছর এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬ হাজার। পরে ২৭ অগস্ট পর্যন্ত আবেদনের দিন বাড়ানোয় এই সংখ্যা আরও বেড়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। একই ছবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন কলেজে। বহু কলেজেই আসনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি। এমন একাধিক কলেজ আছে, যেখানে ৫০ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ওই কলেজগুলির মধ্যে শুধু লেডি ব্রেবোর্ন কলেজেই জমা পড়েছে ৩২ হাজারেরও বেশি ভর্তির আবেদন। সেখানে আসন সংখ্যা ৬০০ বলে জানালেন অধ্যক্ষা শিউলি সরকার। মৌলানা আজাদ কলেজে আসন সংখ্যা ১০৩২। অধ্যক্ষ শুভাশিস দত্ত জানালেন, স্নাতকে ভর্তির আবেদন জমা পড়েছে সাড়ে ৪১ হাজার। শিউলিদেবী এবং শুভাশিসবাবু দু’জনেরই মত, সব বোর্ডেই তুলনামূলক ভাল ফল এর অন্যতম কারণ। এর সঙ্গে ভর্তির জন্য কোনও আবেদন ফি না থাকায় পড়ুয়ারা একাধিক বিষয়ে একাধিক কলেজে আবেদন করেছেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

পুজোর দিন উপোস করেন, দিনের শেষে যে তিনটি খাবার খেতে পারবেন জেনে নিন!

অনেকেই পুজো দেওয়ার জন্য উপোস করেন। কিন্তু উপোস ভাঙার পরে অনেকেরই শরীর খারাপ হয়। কারণ এর পরে লুচি, মণ্ডা-মিঠাই বা পোলাও খেয়ে ফেলেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে গেলে এই ভুল করবেন না। বরং উপোস ভাঙার পর এমন কিছু খাবার খান, যা আপনার শরীরকে পুষ্টি দেবে। উপোস ভাঙার পরে কী খেতে পারেন? রইল তালিকা। কলা ও আখরোটের স্মুদি সহজেই বানাতে পারেন এই স্মুদি। অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকার পরে এই স্মুদি পেটও ভরাবে। উপকরণও রয়েছে ঘরের মধ্যেই। কলা, দই, আখরোট ও মধু। কলা, দই ও আখরোট একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। তার পরে একটি গ্লাসে ঢেলে এর সঙ্গে ২ চা চামচ মধু মেশান। উপরে আখরোট কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন নিন। ওটস ক্ষীর এখন অনেকেই ওটস খান। বাড়িতে সহজেই এই উপকরণটি পাওয়া যাবে। উপোস ভাঙার পর খেতে পারেন ওটস ক্ষীর। লাগবে ঘি, ওটস, দুধ এবং শুকনো ফল। প্রথমে প্যানে ঘি গরম করুন। তার পরে ওটস দিয়ে হাল্কা করে নাড়ুন। এতে দুধ মেশান। ওটস নরম না হওয়া পর্যন্ত আঁচ কমিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। তার পরে উপরে শুকনো ফল ছড়িয়ে একটু ঘন হতে দিন। গরম গরম খান, তবে গরম খেতে ইচ্ছে না হলে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন। রোস্টেড মাখন উপোস ভাঙার পর কম ক্যালোরিযুক...

দই খাচ্ছেন , জেনে নিন কত টা উপকারী আর কতটা ক্ষতিকর!

আম-দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমের গন্ধযুক্ত দই সারা বছরই কিনতে পাওয়া যায়। এই সব দইয়ে অবশ্য আসল আম থাকে না। মেশানো হয় আমের সুবাস। এই আম-দই যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, দইয়ের সঙ্গে আসল আম মিশিয়ে খেলে সমস্যা হতে পারে। আপাত ভাবে কিছু টের না পাওয়া গেলেও, দীর্ঘ দিন দই এবং আম একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে ঘা হতে পারে। তবে শুধু আমই নয়, এমন বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে, যা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কী কী খাবার, রইল তালিকা। • মাছ এবং দই একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। কিছু কিছু খাবার হজম করতে দই সাহায্য করে। কিন্তু সেই তালিকায় মাছ নেই। বরং মাছ খাওয়ার পরে দই খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। • অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেয়েছেন? তার পরেও দই খাওয়া উচিত নয়। পেটের গণ্ডগোল হতে পারে। • পেঁয়াজ খাওয়ার পরে দই একেবারেই নয়। পেঁয়াজ শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আর দই কমায়। দু’টি খাবার এক সঙ্গে গেলে শরীর খারাপ হতে পারে। • শুনতে অদ্ভুত লাগলেও দই এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। তা হলেও হজমের সমস্যা হতে পারে।