বাড়ির সব চেয়ে খুদে সদস্যটির মুখে মধু তো দিচ্ছেন, কিন্তু সেই মধু খাঁটি না কি নকল— সে বিষয়ে ধারণা আছে কি? বহু নামী কোম্পানির মধুতেও প্রচুর ভেজাল থাকে। এ কথা বার বার বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে। তা হলে খাঁটি মধু চিনবেন কী করে?
কয়েকটি সাধারণ পদ্ধতিতেই বোঝা যায়, মধু খাঁটি না কি ভেজাল মেশানো। রইল সেই তালিকা।
• মধু খাঁটি কি না, তা বোঝার সব চেয়ে সহজ রাস্তা জলে মেশানো। এক গ্লাস জলে এক চামচ মধু দিন। তার পরে গ্লাসটি আস্তে আস্তে নাড়ান। মধু যদি জলের সঙ্গে তাড়াতাড়ি মিশে যায়, তা হলে সেটি নকল। আর মধু যদি ছোট গোলকার পিণ্ডের মতো হয়ে জলে আস্তে আস্তে মিশতে থাকে, তা হলে সেটি খাঁটি।
• জলের গ্লাসে এক ফোঁটা মধু দিন। সেটি কি জলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে? না কি ছোট পিণ্ডের আকারে তলায় চলে যাচ্ছে? মিশে গেলে নকল মধু। আর পিণ্ডের আকারে তলায় চলে গেলে খাঁটি মধু।
• মধু আঙুলে লাগান। খুব চটচটে কি? মধু যত খাঁটি, তত চটচটে।
• শিশির তলায় মধু কি জমাট বাঁধছে? তা হলে এটি নকল মধু।
• মধুতে কি পিপড়ে ধরছে? তা হলেও বুঝতে হবে এটি ভেজাল মেশানো। কারণ পুরোপুরি খাঁটি মধুতে পিপড়ে ধরে না।
• মধু নকল কি না তা বোঝার আরও এক সহজ রাস্তা, এতে ফেনা হচ্ছে কি না দেখা। ফেনা হলে এটি ভেজাল মেশানো।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন