ছোটবেলা থেকেই অনেককে শেখানো হয়, খাবার খাওয়ার মাঝে জল না খেতে। খাবার খেতে খেতে জল খেলে না কি খাবার ঠিক করে হজম হয় না। কারণ হজমের জন্য পাকস্থলিতে অ্যাসিড তৈরি হয়। জল এই অ্যাসিডের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। ফলে খাবার হজমে সমস্যা হয়।
যদিও এই মত কতটা ঠিক, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। অনেকেরই বক্তব্য, জল পেটের পিএইচ মাত্রায় কোনও বদল ঘটায় না। ফলে খাবার খাওয়ার মাঝে জল খেলে হজমের সমস্যা হয় না। যদিও এর বিরুদ্ধ মতও আছে।
কিন্তু এ সব বাদ দিয়ে, খাবার খাওয়ার মাঝে জল খাওয়ার কিছু গুণও আছে। দেখে নেওয়া যাক।
• খাবার খেতে খেতে জল খেলে খাদ্যনালীর ভিতরটি পিচ্ছিল হয়ে যায়। তাতে গ্যাসের সমস্যা কমে।
• খাবার খাওয়ার সময়ে জল খেলে টক্সিন বা অন্য দূষিত পদার্থ শরীর থেকে সহজে বেরিয়ে যায়। শরীর দূষণ মুক্ত হয়।
• তবে খাওয়ার সময়ে জল খাওয়ার সব চেয়ে বড় সুবিধা হল, এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
• খাবার খাওয়ার সময়ে জল খেলে পেট ভর্তি হয়ে যায়। ফলে বেশি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। তাতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন