ডায়াবিটিসের সমস্যা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকেও বেশি দেখা যাচ্ছে শিশুদের মধ্যে। চিকিৎসকদের বক্তব্য, দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছু ভুলের কারণেই মূলত এমন সমস্যা হচ্ছে। জীবনধারায় কিছু বদল এলে তবেই সম্ভব সেই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
বহু শিশুকেই ছোট থেকে স্থূলতার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তার সঙ্গেই রয়েছে শরীরচর্চার অভাব। বহু শিশুরই এখন খেলার অভ্যাস নেই। তার জেরেই অসুস্থতা বাড়ছে।
মাঝেমাঝেই গলা শুকিয়ে যাওয়া এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি ডায়াবিটিসের লক্ষণ। ঘন ঘন মুত্রত্যাগও করতে হয় ডায়াবিটিস হলে। কম সময়ে অনেকটা ওজন কমলেও সতর্ক হতে হবে।
শিশুকে ডায়াবিটিসের প্রকোপ থেকে কী ভাবে বাঁচানো সম্ভব?
১) খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসে বিশেষ নজর দিতে হবে। অতিরিক্ত ভাজাভুজি এবং পিৎজা-বার্গারের মতো খাবার যাতে না খায়, সে দিকে নজর দিন।
২) বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ারও বিপদ আছে। চিনি খাওয়া যত কমানো যায়, শরীরের জন্য ততই ভাল।
৩) নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস করানো জরুরি।
৪) শরীর যাতে শুকিয়ে না যায়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাই নিয়ম করে জল খাওয়ান শিশুকে।
৫) কখনওই প্রয়োজনের চেয়ে যেন বেশি খাবার না খায় শিশু। সে দিকে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
৬) এক জায়গায় বেশি ক্ষণ বসে থাকাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন