সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Healthy Lifestyle : খুব কঠিন ডায়েট করছেন, হজম হার কমে মোটা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে । জেনে নিন কী করবেন...

বিপাক হার কমে যাওয়া মানেই নানা সমস্যার সূত্রপাত। বিপাক হার ঠিক থাকলে হজম ভাল হবে। তার ফলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, রক্তচাপের মাত্রাও ঠিক থাকবে। রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু বিপাক হার ঠিক রাখার জন্য কিছু অভ্যাস ছাড়তে হবে। নতুন কয়েকটি অভ্যাস তৈরিও করতে হবে। ১) অনেকের বিশ্বাস কম খেলেই হজম প্রক্রিয়া ঠিক থাকবে। ওজনও কমবে। কিন্তু তেমন তো হয় না। রোগা হওয়ার জন্য কম ক্যালোরি শরীরে যাওয়া দরকার ঠিকই, কিন্তু তা অতিরিক্ত কম হলে উল্টে শরীর খারাপ হতে পারে। ২) দিনভর বসে বসে কাজ করলেও কমতে পারে বিপাক হার। অতিমারির এই সময়ে তা অতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছে। সকলেই প্রায় বাড়ি থেকে কাজ করছেন। ফলে চলাফেরা বিশেষ হচ্ছে না। ৩) ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত প্রোটিন খাওয়া জরুরি। শরীরে প্রোটিন গেলে অনেক ক্ষণ পেট ভর্তি থাকবে। ফলে মাঝেমাঝেই টুকটাক খাওয়ার যে ইচ্ছা দেখা দেয়, তা কমবে। আর বিপাক হারও ঠিক থাকবে। ৪) কম ঘুম হলেও সমস্যা। তাতেও বিপাক হার কমতে পারে। সময় মতো না ঘুমোলে শরীরের সব প্রক্রিয়াই খানিক উল্টে-পাল্টে যায়। তার সঙ্গে সমস্যা দেখা দেয় বিপাক হার নিয়েও। ৫) অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট খেলেও কমতে পারে বিপাক হার। কারণ কার্বোহাইড্রেট ভেঙে হজম করার জন্য যে এনার্জি শরীরের প্রয়োজন, তা খুব বেশি নয়।
৬) কঠিন ডায়েট করলেও এ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিপাক হার বাড়াতে শরীরের বেশ খানিকটা কর্মশক্তি ক্ষয় করতে হয়। তার জন্য প্রয়োজন ক্যালোরি। কঠিন ডায়েটে শরীরের ক্যালোরি কম ‌যায়। তখন শরীর তা মেপে খরচ করে। আর কমতে থাকে বিপাক হার। ফলে আদতে ওজনও কমে না।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত

  West Bengal News Live:  রেল পরিষেবা। হাওড়া-খড়গপুর শাখায় রেল পরিষেবায় বিঘ্ন, চরমে যাত্রী দুর্ভোগ । বাতিল হাওড়া-ভদ্রক বাঘাযতীন এক্সপ্রেস, হাওড়া-আদ্রা শিরোমণি এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-টাটানগর স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-দিঘা স্পেশাল, শালিমার-পুরী এক্সপ্রেস, অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত অবরোধ-বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হাওড়া, বিঘ্নিত  আপ-ডাউন মিলিয়ে ৩০টি লোকাল ট্রেন বাতিল। কাল বাতিল টাটানগর-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, আদ্রা-হাওড়া শিরোমণি এক্সপ্রেস। কাল বাতিল পুরুলিয়া-হাওড়া এক্সপ্রেস, ভদ্রক-হাওড়া এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস।

চলো একটু ঘুড়ে আসি কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ননা ।

তাপসী ভূত বিশ্বাস করে না ঠিকই, কিন্তু সেটা খাস কলকাতায় বসে। এখন উত্তর সিকিমের এই প্রত্যন্ত গ্রাম— একে গ্রাম বলাও ভুল হবে, পাহাড়তলির ওপর ইতস্তত ছড়িয়ে থাকা কয়েকটা কাঠের বাড়ি— যেখানে সাঁঝবেলাতেই নিঝুম রাত নেমে এসেছে, এখানে ওর কেমন একটা ভয়-ভয় করছে। তার ওপর বাইরে অঝোরে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। এই অঞ্চলে এই একটাই হোম-স্টে সদ্য খুলেছে। সাকুল্যে চারটি ঘর। এখন এই ভরা বর্ষায় কেউ আসে না সাধারণত। যদি হঠাৎ রঞ্জনের অ্যাডভোকেট বন্ধু তমালের ফোন না পেত, তা হলে তাপসীও আসত না। অফিসে একটা জরুরি মিটিং চলছিল, তখনই আসে ফোনটা। মিটিং চলাকালীন খুব জরুরি না হলে ও কোনও ব্যক্তিগত ফোন ধরে না, তাই ‘মিটিংয়ে আছি, পরে ফোন করছি’ মেসেজ দিয়ে কেটে দিয়েছিল। পরে ফোন করতে তমাল কোনও ভণিতা না করে ওকে জানায় যে, রঞ্জন এখন অফিসের ট্যুরে দিল্লিতে নেই, মণিকার সঙ্গে গোয়ায় ছুটি কাটাতে গেছে। ওরা ফিরে এসে বিয়ে করতে চায়। তমালকে দায়িত্ব দিয়ে গেছে ডিভোর্সের শর্তাবলি তাপসীর সঙ্গে ফাইনাল করে রাখতে। রঞ্জন উদার ভাবে বলেছে, তাপসীর সব ন্যায্য দাবি ও মেনে নেবে, প্রকৃত ভদ্রলোকের মতো। তমাল কথা বলছিল পারিবারিক বন্ধু হিসেবে নয়, এক জন ল’ইয়ার হিসেবে। এতই ...

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...