ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে ভালবাসেন? কিংবা ফ্রায়েড চিকেন? এক বার পেলে পেট ভরে না খেয়ে আর ছাড়তে পারেন না নিশ্চয়ই! তার পরই শুরু হয় শরীরে অস্বস্তি। কিছু ক্ষণ পর সেটা হয়তো ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু আদতে এগুলি অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই এগুলি যত সম্ভব কম খাওয়াই ভাল। একান্তই খেতে হলে, মেনে চলুন কিছু নিয়ম।
১) ভাজাভুজি খেয়ে পেট ভর্তি লাগছে? সমাধান লুকিয়ে জলে। খাওয়ার ৩০-৪০ মিনিট পর হাল্কা গরম জল খান। জল খেলে তাড়াতাড়ি খাবার হজম হয়ে যাবে। ফলে কিছুক্ষণ পর পেট হাল্কা লাগবে।
২) ভাজাভুজি খাওয়ার পর শরীর ভাল রাখতে ডিটক্স ওয়াটারে ভরসা রাখুন। এই ডিটক্স ওয়াটার আর কিছুই নয়, লেবুর জল। এটি খেলে ভাজাভুজি খাওয়ার পর শরীরে যে দূষিত পদার্থ জমে, তা বেরিয়ে যাবে।
৩) ভারী খাবার খাওয়ার মিনিট কুড়ি পরে হাঁটুন। এতে খাবার তাড়াতাড়ি হজম তো হবেই, পাশাপাশি খিদেও বাড়বে। এ ছাড়া ওজন কমাতে তো হাঁটার জুড়ি নেই।
৪) যে কোনও ভারী খাবার খেয়ে তার ১৫-২০ মিনিট পর প্রোবায়োটিক খাবার খান। সবচেয়ে ভাল উপকার পাবেন দই খেলে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। খাবারও চটজলদি হজম করায়।
৫) খুব বেশি ভাজাভুজি খেয়ে ফেলেছেন? তার ঠিক এক ঘণ্টা পর ফল খান। এতে হজমশক্তি তো বাড়বেই, সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমবে। এর পরে যে ভারী খাবার খাবেন, তাতে শাক-সব্জির পরিমাণ বেশি রাখুন।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন