বৌবাজার থানা এলাকার কলুটোলা স্ট্রিটের একটি বহুতলে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়। সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ এই আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন।
দমকল সূত্রে খবর, সোমবার সকালে ১১ নম্বর কলুটোলা স্ট্রিটের বাসিন্দারা একটি বহুতলের দোতলা থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখেন। তার পরই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং বৌবাজার থানার পুলিশ। প্রথমে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও চারটি ইঞ্জিন পৌঁছয়। ইতিমধ্যেই দমকলের মোট ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছে।
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ওই বহুতলের দোতলায় একটি গুদাম ছিল। সেই গুদামেই আগুন লাগে। গুদামে দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বহুতলের চারপাশ থেকে দোতলার ওই ঘরে জল দিচ্ছেন দমকলকর্মীরা। বাজার এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দমকলকর্মীরা জানলা ভেঙে ভিতরে ঢোকারও চেষ্টা করছেন। ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না তা এখনও জানা যায়নি। কী ভাবে আগুন লেগেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন