সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

West Bengal Weather Report : আজও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা , নিচু এলাকা প্লাবনের আশঙ্কা, আবহাওয়া কেমন থাকবে আজ ? জেনে নিন....

আজও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ধসের আশঙ্কা পাহাড়ে। বাড়বে নদীর জল স্তর। নিচু এলাকা প্লাবনের আশঙ্কা। দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে ধীরে ধীরে শুরু হবে শুষ্ক আবহাওয়া। পরিস্থিতি অনুকূল ৷ আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন ৬ অক্টোবর, বুধবার উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতে পারে। পশ্চিম রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চন্ডিগড়, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে এই বিদায় পর্ব শুরু হবে।
ঘূর্ণিঝড় ‘শাহিন’ এখন গাল্ফ অফ ওমানে অবস্থান করছে ৷ এটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে ওমান উপকূলের দিকে। সোমবার এটি ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা সে দেশে। ভারতীয় উপকূল থেকে এটি দূরে থাকায় এর কোনও প্রভাব পড়বে না ভারতে।পূর্ব বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে নিম্নচাপ। এর সঙ্গে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি রয়েছে। এই নিম্নচাপ থেকে একটি অক্ষরেখা গিয়েছে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এটি তামিলনাডু উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে একটি অক্ষরেখা কর্ণাটক উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে আরব সাগরের কেরল উপকূলে। দু’দিনে এটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা।
আজ, সোমবারও ভারী বৃষ্টির সর্তকতা উত্তরবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায়। বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়। আগামিকাল, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি কমবে উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সর্তকতা নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। তাপমাত্রা বাড়বে সঙ্গে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি।
কলকাতায় আজ, সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকবে। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের থেকে যা ১ ডিগ্রি উপরে।আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে বিহার উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি-তে। অসম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হবে তামিলনাডু, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটক, কোঙ্কন, গোয়া ও মহারাষ্ট্রে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত

  West Bengal News Live:  রেল পরিষেবা। হাওড়া-খড়গপুর শাখায় রেল পরিষেবায় বিঘ্ন, চরমে যাত্রী দুর্ভোগ । বাতিল হাওড়া-ভদ্রক বাঘাযতীন এক্সপ্রেস, হাওড়া-আদ্রা শিরোমণি এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-টাটানগর স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-দিঘা স্পেশাল, শালিমার-পুরী এক্সপ্রেস, অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত অবরোধ-বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হাওড়া, বিঘ্নিত  আপ-ডাউন মিলিয়ে ৩০টি লোকাল ট্রেন বাতিল। কাল বাতিল টাটানগর-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, আদ্রা-হাওড়া শিরোমণি এক্সপ্রেস। কাল বাতিল পুরুলিয়া-হাওড়া এক্সপ্রেস, ভদ্রক-হাওড়া এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস।

চলো একটু ঘুড়ে আসি কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ননা ।

তাপসী ভূত বিশ্বাস করে না ঠিকই, কিন্তু সেটা খাস কলকাতায় বসে। এখন উত্তর সিকিমের এই প্রত্যন্ত গ্রাম— একে গ্রাম বলাও ভুল হবে, পাহাড়তলির ওপর ইতস্তত ছড়িয়ে থাকা কয়েকটা কাঠের বাড়ি— যেখানে সাঁঝবেলাতেই নিঝুম রাত নেমে এসেছে, এখানে ওর কেমন একটা ভয়-ভয় করছে। তার ওপর বাইরে অঝোরে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। এই অঞ্চলে এই একটাই হোম-স্টে সদ্য খুলেছে। সাকুল্যে চারটি ঘর। এখন এই ভরা বর্ষায় কেউ আসে না সাধারণত। যদি হঠাৎ রঞ্জনের অ্যাডভোকেট বন্ধু তমালের ফোন না পেত, তা হলে তাপসীও আসত না। অফিসে একটা জরুরি মিটিং চলছিল, তখনই আসে ফোনটা। মিটিং চলাকালীন খুব জরুরি না হলে ও কোনও ব্যক্তিগত ফোন ধরে না, তাই ‘মিটিংয়ে আছি, পরে ফোন করছি’ মেসেজ দিয়ে কেটে দিয়েছিল। পরে ফোন করতে তমাল কোনও ভণিতা না করে ওকে জানায় যে, রঞ্জন এখন অফিসের ট্যুরে দিল্লিতে নেই, মণিকার সঙ্গে গোয়ায় ছুটি কাটাতে গেছে। ওরা ফিরে এসে বিয়ে করতে চায়। তমালকে দায়িত্ব দিয়ে গেছে ডিভোর্সের শর্তাবলি তাপসীর সঙ্গে ফাইনাল করে রাখতে। রঞ্জন উদার ভাবে বলেছে, তাপসীর সব ন্যায্য দাবি ও মেনে নেবে, প্রকৃত ভদ্রলোকের মতো। তমাল কথা বলছিল পারিবারিক বন্ধু হিসেবে নয়, এক জন ল’ইয়ার হিসেবে। এতই ...

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...