আম-দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমের গন্ধযুক্ত দই সারা বছরই কিনতে পাওয়া যায়। এই সব দইয়ে অবশ্য আসল আম থাকে না। মেশানো হয় আমের সুবাস। এই আম-দই যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, দইয়ের সঙ্গে আসল আম মিশিয়ে খেলে সমস্যা হতে পারে। আপাত ভাবে কিছু টের না পাওয়া গেলেও, দীর্ঘ দিন দই এবং আম একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে ঘা হতে পারে।
তবে শুধু আমই নয়, এমন বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে, যা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কী কী খাবার, রইল তালিকা।
• মাছ এবং দই একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। কিছু কিছু খাবার হজম করতে দই সাহায্য করে। কিন্তু সেই তালিকায় মাছ নেই। বরং মাছ খাওয়ার পরে দই খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।
• অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেয়েছেন? তার পরেও দই খাওয়া উচিত নয়। পেটের গণ্ডগোল হতে পারে।
• পেঁয়াজ খাওয়ার পরে দই একেবারেই নয়। পেঁয়াজ শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আর দই কমায়। দু’টি খাবার এক সঙ্গে গেলে শরীর খারাপ হতে পারে।
• শুনতে অদ্ভুত লাগলেও দই এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। তা হলেও হজমের সমস্যা হতে পারে।
বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন