সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রবিবার তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সোমেন মিত্র !

শেষ মুহূর্তে কোনও নাটকীয় পরিবর্তন না হলে, রবিবার তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন শিখা মিত্র। প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর স্ত্রী এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছেন। গত ১৭ অগস্ট প্রয়াত সোমেনের বাৎসরিক কাজ ছিল। সে দিনই ফোন করে শিখার সঙ্গে কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরদিনই তাঁর বাড়িতে গিয়ে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব দিয়ে আসেন দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। সূত্রের খবর, ওই দিনই তৃণমূলে যোগদানের ব্যাপারে নিজের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছিলেন শিখা। তৃণমূলের শাখা সংগঠন বঙ্গজননীর সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন সোমেন-জায়া। আর তৃণমূল শিবিরের এমন প্রস্তাব পেয়ে শিখা জানিয়েছিলেন, তিনি তৃণমূল ছাড়ার পর আর কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি। তাই তৃণমূলে ফের যোগ দিতেও তাঁর অসুবিধা নেই। সূত্রের খবর, রবিবার দক্ষিণ কলকাতার এক হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলে যোগদান করানো হতে পারে শিখাকে। গত বছর সোমেন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে, ফোন করে তাঁর খোঁজ নিয়েছিলেন মমতা। সেই থেকেই সম্পর্কের বরফ গলা শুরু। পরে সোমেনের প্রয়াণের পর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। তাছাড়া, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-র টিকিটে শিখা চৌরঙ্গি কেন্দ্রে দাঁড়াতে অস্বীকার করায় খুশি হয়েছিল তৃণমূল শিবির। তাই ক্ষমতায় এসে শিখাকে ফোন করে তাঁর সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। তবে অতীতে সোমেন-তৃণমূল বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে শিখা অনুঘটকের কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। ২০০৮ সালে প্রগতিশীল ইন্দিরা কংগ্রেস গড়ে সোমেন কংগ্রেস ছাড়লে স্বামীর সঙ্গেই ছিলেন স্ত্রী। এর পর ২০০৯ সালে তৃণমূলের প্রতীকে ডায়মন্ড হারবার থেকে সাংসদ হন সোমেন। আর স্বামীর ছেড়ে যাওয়া কেন্দ্রে শিখাকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করেন মমতা। ২০০৯ সালে অধুনা বিলুপ্ত শিয়ালদহ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হন শিখা। ২০১১ সালে চৌরঙ্গি কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক হন তিনি। কিন্তু শীঘ্রই সোমেন-তৃণমূলের সম্পর্কে তিক্ততা শুরু হয়। ২০১৩ সালের পয়লা জুলাই রাজ্যের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিধান ভবনে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শিখা। প্রকাশ্যেই সমালোচনা করে বসেন মমতার। ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে কংগ্রেসে যোগদান করেন সোমেন। শিখাও চৌরঙ্গির বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন। কিন্তু শীঘ্রই সোমেন-তৃণমূলের সম্পর্কে তিক্ততা শুরু হয়। ২০১৩ সালের পয়লা জুলাই রাজ্যের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিধান ভবনে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শিখা। প্রকাশ্যেই সমালোচনা করে বসেন মমতার। ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে কংগ্রেসে যোগদান করেন সোমেন। শিখাও চৌরঙ্গির বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন। এই ঘটনার দীর্ঘ সাত বছর পর রবিবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন হতে পারে শিখার। সূত্রের খবর, তাঁকে সরকারি কোনও কমিটির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঘরোয়া উপায়ে এক সপ্তাহেই কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন কী ভাবে তারাতাড়ি জেনে নিন।

বহু শিশুই কৃমির সমস্যায় কষ্ট পায়। তবে বয়স বাড়লে যে এই সমস্যা কমে যাবে— এমন কথাও জোর দিয়ে বলা যায় না। বহু প্রাপ্তবয়স্কই কৃমির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে কৃমি তাড়ানোর ওষুধ খেতে চান না। তবে ওষুধ না খেয়েও কৃমি তাড়ানো যায়। সেটিও মাত্র এক সপ্তাহেই। হাতের কাছে থাকা কয়েকটি ঘরোয়া জিনিসেই তা সম্ভব। খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কৃমি তাড়াবেন কী করে? রইল তালিকা। • লবঙ্গ: এক কাপ জলে তিন-চারটে লবঙ্গ ফুটিয়ে নিন। সেই জল সারা দিন অল্প অল্প করে খান। লবঙ্গ সিদ্ধ করা জল শুধু কৃমি নয়, মারবে কৃমির ডিমও। • নিমপাতা: কয়েকটি নিমপাতা বেটে ফ্রিজে রেখে দিন। এমন পাত্রে রাখবেন, যার মধ্যে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে না। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ নিমপাতা বাটা মিশিয়ে নিন। সেটি খেয়ে ফেলুন। কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। • কুমড়োর বীজ: কৃমি তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ। প্রথমে কয়েকটি কুমড়োর বীজকে হাল্কা করে ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার এক কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ জল মেশান। এর মধ্যে ভাজা কুমড়ো বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সকালে খালি পেটে এটি খেয়ে ...

অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত

  West Bengal News Live:  রেল পরিষেবা। হাওড়া-খড়গপুর শাখায় রেল পরিষেবায় বিঘ্ন, চরমে যাত্রী দুর্ভোগ । বাতিল হাওড়া-ভদ্রক বাঘাযতীন এক্সপ্রেস, হাওড়া-আদ্রা শিরোমণি এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-টাটানগর স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, বাতিল হাওড়া-দিঘা স্পেশাল, শালিমার-পুরী এক্সপ্রেস, অবরোধ অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রেল পরিষেবা বিঘ্নিত অবরোধ-বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হাওড়া, বিঘ্নিত  আপ-ডাউন মিলিয়ে ৩০টি লোকাল ট্রেন বাতিল। কাল বাতিল টাটানগর-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, আদ্রা-হাওড়া শিরোমণি এক্সপ্রেস। কাল বাতিল পুরুলিয়া-হাওড়া এক্সপ্রেস, ভদ্রক-হাওড়া এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস। রুট পরিবর্তন: হাওড়া-মুম্বই সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস।

চলো একটু ঘুড়ে আসি কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ননা ।

তাপসী ভূত বিশ্বাস করে না ঠিকই, কিন্তু সেটা খাস কলকাতায় বসে। এখন উত্তর সিকিমের এই প্রত্যন্ত গ্রাম— একে গ্রাম বলাও ভুল হবে, পাহাড়তলির ওপর ইতস্তত ছড়িয়ে থাকা কয়েকটা কাঠের বাড়ি— যেখানে সাঁঝবেলাতেই নিঝুম রাত নেমে এসেছে, এখানে ওর কেমন একটা ভয়-ভয় করছে। তার ওপর বাইরে অঝোরে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। এই অঞ্চলে এই একটাই হোম-স্টে সদ্য খুলেছে। সাকুল্যে চারটি ঘর। এখন এই ভরা বর্ষায় কেউ আসে না সাধারণত। যদি হঠাৎ রঞ্জনের অ্যাডভোকেট বন্ধু তমালের ফোন না পেত, তা হলে তাপসীও আসত না। অফিসে একটা জরুরি মিটিং চলছিল, তখনই আসে ফোনটা। মিটিং চলাকালীন খুব জরুরি না হলে ও কোনও ব্যক্তিগত ফোন ধরে না, তাই ‘মিটিংয়ে আছি, পরে ফোন করছি’ মেসেজ দিয়ে কেটে দিয়েছিল। পরে ফোন করতে তমাল কোনও ভণিতা না করে ওকে জানায় যে, রঞ্জন এখন অফিসের ট্যুরে দিল্লিতে নেই, মণিকার সঙ্গে গোয়ায় ছুটি কাটাতে গেছে। ওরা ফিরে এসে বিয়ে করতে চায়। তমালকে দায়িত্ব দিয়ে গেছে ডিভোর্সের শর্তাবলি তাপসীর সঙ্গে ফাইনাল করে রাখতে। রঞ্জন উদার ভাবে বলেছে, তাপসীর সব ন্যায্য দাবি ও মেনে নেবে, প্রকৃত ভদ্রলোকের মতো। তমাল কথা বলছিল পারিবারিক বন্ধু হিসেবে নয়, এক জন ল’ইয়ার হিসেবে। এতই ...