সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Fire: শহরের বহুতলে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের বহু ইঞ্জিন !

বৌবাজার থানা এলাকার কলুটোলা স্ট্রিটের একটি বহুতলে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়। সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ এই আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। দমকল সূত্রে খবর, সোমবার সকালে ১১ নম্বর কলুটোলা স্ট্রিটের বাসিন্দারা একটি বহুতলের দোতলা থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখেন। তার পরই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং বৌবাজার থানার পুলিশ। প্রথমে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও চারটি ইঞ্জিন পৌঁছয়। ইতিমধ্যেই দমকলের মোট ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ওই বহুতলের দোতলায় একটি গুদাম ছিল। সেই গুদামেই আগুন লাগে। গুদামে দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বহুতলের চারপাশ থেকে দোতলার ওই ঘরে জল দিচ্ছেন দমকলকর্মীরা। বাজার এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দমকলকর্মীরা জানলা ভেঙে ভিতরে ঢোকারও চেষ্টা করছেন। ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না তা এখনও জানা যায়নি। কী ভাবে আগুন লেগেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

পড়ুয়াদের নিখরচায় পাঠদান ।

আর্থিক ভাবে অনগ্রসর শ্রেণির স্কুলপড়ুয়াদের অনেকেই পরিবারের প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী। অনলাইন ক্লাস তারা যদিও বা করতে পারছে, সেই পড়া বাড়িতে দেখিয়ে দেওয়ার মতো কেউ নেই অধিকাংশেরই। গৃহশিক্ষকের কাছে ছেলেমেয়েদের পড়ানোর সামর্থ্যও নেই ওই সব পরিবারের। এই ধরনে পড়ুয়াদের জন্য বিভিন্ন জেলায় করোনা বিধি মেনেই কিছু কোচিং ক্লাসের আয়োজন করেছে শিক্ষক সংগঠন নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি (এবিটিএ)। সেখানে পড়ানো হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রায় দু'বছর স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের উপরে যে-প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে, এখনও হচ্ছে। বার বার উঠে এআসছে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সঙ্গে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুদের ফারাক। অনলাইন ক্লাসের জন্য জরুরি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার না-থাকায়, বাড়িতে পড়াশোনা করার পরিবেশের অভাবে বা অতিমারিতে কাজ হারিয়ে অভিভাবকেরা পড়ানোর সামর্থ্য হারিয়ে ফেলায় স্কুলছুট হয়েছে বহু ছেলেমেয়ে। যারা এখনও কোনও মতে পড়া চালিয়ে যাচ্ছে, হরেক প্রতিকূলতা রয়েছে তাদেরও। এই ধরনের পড়ুয়াদের সাহায্য করতেই বিকল্প পাঠদানের জন্য তাদের এই উদ্যোগ বলে জানাচ্ছে এবিটিও। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুকু...

এটিএম লুটের আগেই রাজ্যের চার দুষ্কৃতী আটক ।

এটিএমের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে সন্দেহজনক কয়েক জন। এক বার ভিতরে ঢুকছে, আবার বাইরে বেরিয়ে আসছে। সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চালাতে গিয়ে এমনই দৃশ্য দেখে সন্দেহ হয় ব্যাঙ্ককর্মীদের। লালবাজারে খবর দেন তাঁরা। পুলিশ এসে ওই এটিএম থেকে প্রথমে সন্দেহভাজন তিন যুবককে আটক করে। পরে তাদের জেরা করে আটক করা হয় আরও এক জনকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় দশটি ক্লোন করা সাদা এটিএম কার্ড। পরে গ্রেফতার করা হয় ওই চার জনকে। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে গরফা থানা এলাকার ঢাকুরিয়ায়। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছয় লালবাজারের ব্যাঙ্ক-জালিয়াতি দমন শাখার তদন্তকারীরা। আটক চার জনকে গ্রেফতার করার পরে ক্লোন করা এটিএম কার্ডগুলি বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম রাকেশ সিংহ, দেব নন্দন, নীতেশ কুমার এবং নবীন কুমার। প্রথম তিন জন বিহারের গয়ার বাসিন্দা। অন্য জনের বাড়ি হরিয়ানায়। শনিবার আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশের অনুমান, ধৃতেরা ‘গয়া গ্যাং’-এর সদস্য। এটিএমে কারসাজি করে জালিয়াতিতে যারা সিদ্ধহস্ত। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, এটিএম কার্ড ক্লোন করে বা স্কিমিং-এর ...

ATM: গ্রাহকের কাছে কার্ড থাকার সত্ত্বেও এটিএম থেকে টাকা উঠে এলো ।

এটিএম কার্ডের মালিক রয়েছেন শহরের এক প্রান্তে। সেখানে তিনি ব্যস্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে। কিন্তু শহরের অন্য প্রান্তে তাঁরই এটিএম কার্ড ব্যবহার করে তুলে নেওয়া হল টাকা। তার আগে অবশ্য তাঁকে ফোন করে কেউ বা কারা ওই টাকা তুলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ। সম্প্রতি লেক থানা, লালবাজার এবং একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে জালিয়াতির এমন অভিযোগ দায়ের করেছেন কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের এক কনস্টেবল। কবীর মণ্ডল নামে ওই কর্মীর অভিযোগ, এটিএম কার্ডটি তাঁর কাছেই ছিল। অথচ, তিনি এসএমএস পেয়েছেন যে, কার্ড ব্যবহার করে পাঁচ বারে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে মোট ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। কবীরবাবু শনিবার জানান, খিদিরপুরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এটিএম কার্ডও ওই ব্যাঙ্কের। তিনি শুক্রবার ডিউটিতে ছিলেন। সেই সময়ে তাঁর মোবাইলে একটি ফোন আসে। এক ব্যক্তি জানান, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হবে। অভিযোগ, এর কিছু পরেই তাঁর মোবাইলে টাকা তুলে নেওয়ার মেসেজ আসে। কবীর জানান, কাউকেই তিনি এটিএম কার্ডের পিন বলেননি। মোবাইলে কিংবা ইমেলে ‘ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড’ও কেউ চায়নি। ঘটনার পরেই তিনি ওই রাষ্ট্...

Sugar: ডায়াবিটিসে ভুগছেন, মিষ্টি খেতে চাইলেও খেতে পারছেন না। পরিবর্তে কী খাবেন জেনে নিন।

বলা সহজ, করা নয়। মিষ্টি ছেড়ে দেব বললেই দেওয়া যায় না। যাঁরা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন, তাঁরা জানেন। কিন্তু চিনি তো আবার ছাড়তে হতে পারে নানা কারণে। ডায়াবিটিস, হৃদ্‌রোগ, স্থূলতা— সবেরই তো ভয় আছে। সে ক্ষেত্রে যখন মুখ মিষ্টি করার তীব্র ইচ্ছা জাগবে, তখন কী করবেন? অনেকেই বলবেন, দূরে থাকার চেষ্টা করবেন। কষ্ট করতে হবে। কিন্তু তাতে সব সময়ে লাভ হয় না। বরং কোনও এক দুর্বল মুহূর্তে নিজের মনের কাছে হার মেনে হাত চলে যেতে পারে রসগোল্লার হাঁড়িতে। এমন কাজ বার বার যাতে না হয়, তার একটি উপায় আছে। তা হল, বিকল্পের সন্ধান জেনে রাখা। চিনি না খেলে মুখ মিষ্টি করার অন্য উপায় কী? ১) ফল: স্বাস্থ্য ও স্বাদ, দুই-ই রক্ষা হবে। মিষ্টি কোনও ফল খেলেও কিছু পুষ্টিকর উপাদান যাবে শরীরে। আবার চিনি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছাও দমন করা যাবে। ২) মধু: দুধ বা দইয়ে চিনি দিয়ে খেতে ভাল লাগে? এমন অনেকের হয়। কিন্তু চিনি না খেয়ে তার জায়গায় একটু মধু ঢেলে নিন। ৩) গুড়: যখন তখন গুড় খাওয়া কাজের কথা নয়। তবে চিনির চেয়ে অনেক বেশি কাজের হল গুড়। কারণ গুড় তুলনায় কম প্রসেসড। তাই তুলনায় কম ক্ষতিকর।

Mutton Recipe: নবমীতে কব্জি ডুবিয়ে খাসির মাংস খান? রইল নতুন রেসিপি , তারাতাড়ি জেনে নিন...

অষ্টমীতে লুচি আর কাশ্মীরি আলুর দম হলে তো নবমীতে তো মাংস চাই-ই চাই। কোলেস্টেরল, ডায়াবিটিস, ইউরিক অ্যাসিড— নানা রকম রোগের দাপটে সারা বছর মুরগির ঝোলই কপালে বেশি জোটে। পুজোর ক’দিন একটু নিয়মের বাইরে গিয়ে খাওয়াদাওয়া সব বাঙালি ঘরেই চলে। তাই পাঁঠা বা খাসির মাংসের পাল্লাই ভারী হয় বেশি। বাজারে খাসির মাংসের দর এই কয়েক দিন যতই চড়ুক, ভিড় ঠেলে ঘাম ঝরিয়ে আম বাঙালি সকাল সকাল বাজারে ঠিক পৌঁছে যাবেন। বেছে বেছে দরদাম করে কচি পাঁঠা ঠিক জোগা়ড় করে আনবেন। তবে মটন কষা অনেক বাড়িতেই কোনও না কোনও রবিবারে হয়। পুজোর দিনে মন চায় স্পেশ্যাল কিছু। তাই একটু অন্য ভাবে খাসির বা পাঁঠার মাংস রান্না করে দেখুন না। পোলাও বা সাদা ভাতের সঙ্গে জমিয়ে মটন খেতে চাইলে বানিয়ে ফেলুন লাল কোর্মা। কী ভাবে বানাবেন দেখে নিন। উপকরণ খাসির মাংস: ১ কেজি টক দই: আধ কাপ আদাবাটা: ১ টেবিল চামচ রসুনবাটা: ১ চা-চামচ লাল মরিচগুঁড়ো: ২ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো: আধ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো: ২ চা-চামচ গরম মসলার গুঁড়ো: ১ চা-চামচ কাজুবাটা: ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বেরেস্তা: আধ কাপ সাদা গোলমরিচের গুঁড়ো: আধ চা-চামচ তেল: ১/৪ কাপ ঘি: ১/৪ কাপ নুন: স্বাদমতো চ...

বাড়িতে তেজপাতা আছে? অনেক ওষুধ কেনার খরচ বেঁচে যাবে আপনার জেনে নিন ...

রান্নায় অনেকেই তেজপাতা ব্যবহার করেন। বিশেষ করে ডালে তো এই পাতার একচেটিয়া রাজত্ব। কিন্তু মৃদু ঝাঁঝালো সুগন্ধের বাইরেও এই পাতার আরও অনেক গুণ রয়েছে। বিশেষ করে এই পাতা শরীরের ছোটখাটো কিছু সমস্যা সহজেই সারিয়ে দিতে পারে। কোন কোন রোগ তেজপাতা সহজেই সারাতে পারে? দেখে নেওয়া যাক। • ত্বকে নানা ধরনের ছত্রাকঘটিত সংক্রমণ হয়। বিশেষ করে দাদের সমস্যা হয় অনেকেরই। তাঁরা একটি করে তেজপাতা চার কাপ জলে ফুটিয়ে নিয়ে, সেই জলটি খেতে পারেন। দিনে চার-পাঁচ বার এই জল খেতে হয়। সপ্তাহ পাঁচেক এ ভাবে চললেই সুফল পাওয়া যায়। এমনকি ওই জল দাদের উপর লাগালেও লাভ হয়। • ফোঁড়ার সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন? তেজপাতা বেটে তার উপরে প্রলেপ দিন। ব্যথা কমবে। ফোঁড়া তাড়াতাড়ি শুকিয়েও যাবে। • কাশি হলে বা জোরে কথা বললে অনেকের গলা ভেঙে যায়। তেজপাতা ফুটিয়ে নিয়ে সেই জল খেলে গলাব্যথা কমে যেতে পারে। • গায়ে দুর্গন্ধ হচ্ছে? বা ত্বক শুষ্ক হয়ে গিয়েছে? তেজপাতা বেটে নিয়ে চন্দনের প্রলেপের মতো লাগান। দুটো সমস্যাই কমবে। • শরীর শুকিয়ে গিয়েছে? প্রস্রাবের রং হলুদ? দু’-তিন কাপ গরম জলে তেজপাতা দু’ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তার পরে ছেঁকে নিয়ে দু’-তিন ঘণ্টা অন্তর জল...